অর্থনৈতিক

আলিক্ষং ডলুরঝিরি পাহাড়ী ঝরনার অপরুপ সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ পর্যটকরা

  প্রতিনিধি ৪ অক্টোবর ২০২০ , ৯:২৮:৪৫ প্রিন্ট সংস্করণ

কামাল শিশির,রামু:

বান্দরবান নাইক্ষংছড়ীর বাইশারী ৩নং ওর্য়াড আলিক্ষং হেডম্যান পাড়া ডলুরঝীরির থোয়াংচাই ঝিরি পাহাড়ী ঝরনার অপরুপ সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হয়ে পড়ছে আগত স্থানীয় ও বহিরাগত পর্যটকরা।

কক্সবাজার রামুর ঈদগড় বাজার হতে প্রায় ১২ কিলোমিটার দুরে এ ঝরনার অবস্থান। জানা যায়, গত এক বছর আগে এ ঝরনার সন্ধান মিলে।

ঈদগড় বাজার হয়ে আলিক্ষং হেডম্যান পাড়া, এরপর পাহাড়ী আকাঁ-বাকাঁ পথ ও খাল-বিল এবং ঝোপ-জঙ্গল পেরিয়ে যেতে হয় এ ঝরনায়।

মনোমুগ্ধকর ঝরনাটির প্রথম সন্ধান পান আলিক্ষং হেডম্যান পাড়ার বাসিন্দা ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রী উম্রয়াই মার্মা। সে প্রাথমিক ভাবে গত বছর পাড়ার লোকজন নিয়ে ঝরনাটি দেখতে যায়।

বর্তমানে নিয়মিত পর্যটকরা আসা যাওয়া করছে বলে জানান হেডম্যান পাড়ার বাসিন্দা দশম শ্রেণীর ছাত্র উশেশিং মার্মা।

সম্প্রতি ঈদগড় বিদ্যানন্দ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ঈদগড় সাংবাদিক ও লেখক পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: ইউছুপসহ আলিক্ষং পুলিশ ক্যম্পের সদস্যরা ঝরনাটির সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে গেলে ঝরনাটির ব্যাপক প্রচার হয়।

৪ অক্টোবর এ প্রতিবেদক এবং ঈদগড় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের সভাপতি নুরুল আবছারের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা ঝরনাটির নিকটে গেলে সবাই ঝরনাটি দেখে আত্মহারা হয়ে পড়ে।

কেননা পাহাড়ী চুড়ায় অবস্থিত ঝরনাটির আশপাশ খুবই সুন্দর এবং ঝরনাটি খুবই উচাঁ। পানি পড়ে অনেক বেশি। পাশাপাশি এটির উৎপত্তিস্থল অনেক দুর গিয়েও খুজেঁ পাওয়া যায়নি।

তাই ঈদগড় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ ঝরনাটির নাম করণ করেন স্বপ্নপুরি ঝরনা। স্বপ্নের ঝরনাটি সরকারী পৃষ্ট পোশকতা পেলে ব্যাপক সৌন্দর্য্য ছড়াবে এবং আরো বেশি পর্যটকদের আনন্দ দেবে বলে জানান, হেডম্যান পাড়ার কারবারী মংজাই মার্মা।

অপরদিকে ঝরনাটি দেখতে যাওয়া হেডম্যান পাড়ার বাসিন্দা ছাত্র অংশৈশিং মার্মা এ প্রতিবেদককে জানান, ঝরনাটির সৌন্দর্যরূপ এ প্রথম কোন সাংবাদিক দেখতে এলেন। সে আরো জানান, সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ঝরনাটির প্রচার প্রচারণায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পর্যটকদের আকৃষ্ট করা হউক।

একুশে বার্তা ডটকম নিউজ

আরও খবর 19

Sponsered content